পঞ্চমুখী রুদ্রাক্ষঃ

এই শ্রেণির রুদ্রাক্ষ সবত্র পরিচিত এবং সবত্রই এই রুদ্রাক্ষ পাওয়া যায় তবে খাঁটি পাওয়া দুস্কর ও বটে । এই রুদ্রাক্ষ দুই শ্রেণীর হয়ে থাকে। এর নাম ‘কালাগ্নি রুদ্র’। এই রুদ্রাক্ষ ধারণে নিষিদ্ধ খাদ্যগ্রহণ এবং নিষিদ্ধ কাজ সম্পাদনের পাপ অপনোদন হয়, মানসিক প্রশান্তি আসে। বিদ্যার ক্ষেত্রে বিস্মৃতি, বিদ্যালাভে বাধা, বিদ্যায় মনোযোগের অভাব, অস্থিরতা, স্মৃতি শক্তিহানি, সব সময় ক্ষুধা, জিহ্বার রোগ, যকৃৎ যন্ত্রের ও পিত্তবাহী নালীর রোগ, স্ত্রীলোকদিগের জরায়ুর রোগ, সংসারে অশান্তি, অগ্নিভয়, দস্যুভয়, মাথাঘোরা, অবসাদ, অম্ল শূলাদি পীড়া, জড়ত্ব, বুদ্ধির প্রখরতা হ্রাস, ব্যবসায় ক্ষতি, সন্তানের অবাধ্যতা, রাজনীতিতে সুনাম হানি প্রভৃতির সমাধান হয়। Continue Reading…

(Commenting: OFF)

চতুর্মূখী রুদ্রাক্ষঃ

এই জাতীয় রুদ্রাক্ষের নাম ‘ব্রহ্মা’। মনের ক্রিয়াকলাপের উপরে এই শ্রেণির রুদ্রাক্ষের প্রভাব চমৎকার। সে কারণে উন্মত্ততা, অনিদ্রা, বিষাদময়তা ইত্যাদি মানসিক রোগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায়। এই রুদ্রাক্ষ ধারণে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি হয়। তুচ্ছ বিষয়ে মানসিক অস্থিরতা উপশম হয়, মানসিক অবসাদ দূর হয়, উদ্বেগ, ভয়, খিটখিটে স্বভাব ও আত্মহনন চিন্তা ইত্যাদির প্রকোপ হ্রাস করে। বক্তৃতা-ক্ষমতা, কর্মতৎপরতা ও বুদ্ধি বৃদ্ধির উন্মেষকারক এই রুদ্রাক্ষ।

শাস্ত্রমতে রুদ্রাক্ষ ধারণের বিধি ও ফলাফল বর্ণনা করা হল। শুদ্ধচিত্তে সঠিক ভাবে শোধন পূর্বক রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে অবশ্যই ফললাভ হবে। যেহেতু নকল রুদ্রাক্ষ দ্বারা প্রতারিত হবার আশঙ্কা আছে, তাই বিশেষজ্ঞ দ্বারা পরীক্ষা করিয়ে অনুষ্ঠানাদির জন্য যোগ্য ব্যক্তির সাহায্য নেওয়া বাঞ্ছনীয়। শুভ তিথিযুক্ত দিনে শুভ সময়ে রুদ্রাক্ষ ধারণ বিধেয়। তিথির সঙ্গে শুভ নক্ষত্র যোগ দেখে নিতে হবে। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের উপদেশ মেনে চলা উচিত। বাহুতে কিংবা কন্ঠে রুদ্রাক্ষকে শোধেনের মাধ্যমে উজ্জীবিত করে ভক্তিসহকারে ধারণের কথা শাস্ত্রে বলা হয়েছে। রুদ্রাক্ষ ধারণে খাওয়া খাদ্যের কোন বিচার করতে হয়না। সব ধর্মের নর নারী রুদ্রাক্ষ ধারণ করতে পারবেন, রুদ্রাক্ষের সাথে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই।

(Commenting: OFF)

ত্রিমুখী রুদ্রাক্ষঃ

এই জাতীয় রুদ্রাক্ষের নাম ‘অগ্নি’। অতীত পাপ বিনষ্ট করে, মানুষের সৃজনশক্তির বিকাশ সাধন করে, কর্মচঞ্চল জীবনিশক্তিকে উন্নত করে, ম্যালেরিয়া রোগ নিবারণ করে। অস্ত্রাঘাত, অস্ত্রোপাচার, উচ্চস্থান থেকে পতন, অ্যাকসিডেন্ট, রক্তচাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস, ঘন ঘন গৃহের পরিবর্তন, বাস্তুদোষ, চৌরভয়, রক্ত বিকার, পান্ডুরোগ, ভগন্দর, বসন্ত, দাদ, চর্মরোগ, মস্তিষ্ক পীড়া, কোমরে ব্যাথা, বাত, অর্শরোগ, ভূমি সংক্রান্ত বা গৃহসংক্রান্ত সমস্যা, সব কাজে অসাফল্য, হজমের গোলযোগ, আমাশয়, ক্যানসার প্রভৃতির হাত থেকে রক্ষা করে। Continue Reading…

(Commenting: OFF)