Description
“A1 Diabetes Control Combination. “সুস্থ সুগার, সুস্থ জীবন” । আসুন জেনে নিন ডায়াবেটিস কেন হয়? ইনসুলিনের ভূমিকা কী?
অগ্ন্যাশয় (প্যানক্রিয়াস)-এর বিটা কোষ (Beta Cells) থেকে ইনসুলিন উৎপন্ন হয়। আমাদের শরীরে খাবার থেকে যে গ্লুকোজ (চিনি) তৈরি হয়, ইনসুলিন সেই গ্লুকোজকে শরীরের কোষের ভেতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করে, যাতে তা শক্তিতে (এনার্জিতে) রূপান্তরিত হতে পারে। এই শক্তির মাধ্যমেই আমরা কাজ করতে পারি, কথা বলতে পারি এবং শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারি।
যখন শরীরে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হয় না, অথবা ইনসুলিন ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, তখন গ্লুকোজ কোষে প্রবেশ করতে না পেরে রক্তেই থেকে যায়। ফলে রক্তে শর্করার (Blood Sugar) মাত্রা বেড়ে যায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়।
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?
অনেক সময় শরীরে অতিরিক্ত চর্বি (ফ্যাট), দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মিষ্টি বা ক্যালোরিযুক্ত খাবার গ্রহণ, স্থূলতা (মোটা হওয়া), শারীরিক পরিশ্রমের অভাব কিংবা অন্যান্য কারণে শরীরের কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি স্বাভাবিকভাবে সাড়া দেয় না। একে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বলা হয়। এ অবস্থায় ইনসুলিন তৈরি হলেও তা কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে।
রক্তে শর্করার মাত্রা
ফাস্টিং ব্লাড সুগার (Fasting Blood Sugar):
কমপক্ষে ৮–১২ ঘণ্টা না খেয়ে পরীক্ষা করলে সাধারণভাবে ৭০–৯৯ mg/dL-কে স্বাভাবিক ধরা হয়। ১০০–১২৫ mg/dL হলে প্রি-ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা থাকে এবং ১২৬ mg/dL বা তার বেশি হলে ডায়াবেটিস নিশ্চিত করার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা প্রয়োজন।
খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর রক্তে শর্করা (Postprandial Blood Sugar):
খাবারের প্রায় ২ ঘণ্টা পরে সাধারণভাবে ১৪০ mg/dL-এর কম স্বাভাবিক ধরা হয়। ১৪০–১৯৯ mg/dL হলে প্রি-ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা থাকতে পারে এবং ২০০ mg/dL বা তার বেশি হলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা থাকে। সঠিক মূল্যায়নের জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা উচিত।
ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণ
– বারবার পিপাসা লাগা।
– ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
– বারবার ক্ষুধা লাগা।
– শরীরের ওজন কমে যাওয়া।
– চোখে ঝাপসা দেখা।
– দুর্বলতা ও শক্তির অভাব অনুভব করা।
– ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া।
এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানো উচিত।
আমার অভিজ্ঞতার আলোকে
আজ আমি আপনাদের এমন একটি প্রায় ৯০ বছরের পুরোনো পারিবারিক আয়ুর্বেদিক ফর্মুলা, যা আমি হোমিওপ্যাথিক প্রস্তুতিতে রূপান্তর করেছি, সে সম্পর্কে জানাতে চাই।
গত ২২–২৫ বছর ধরে আমি আমার ক্লিনিকে এই কম্বিনেশনটি ব্যবহার করে আসছি। আমার ব্যক্তিগত ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতায়, উপযুক্ত রোগী নির্বাচন, নিয়মিত ফলো-আপ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে ব্যবহার করলে অনেক রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিবাচক ফলাফল লক্ষ্য করেছি।
আমি প্রতিটি রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন ও ওষুধ সেবনের বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়ে থাকি। যারা নিয়মিত সেই নির্দেশনা মেনে চলেন, তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই সময়ের সঙ্গে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং ডায়াবেটিস-সম্পর্কিত বিভিন্ন উপসর্গের উন্নতি দেখা যায়। তবে ফলাফল ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হতে পারে এবং চলমান চিকিৎসা কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বন্ধ করা উচিত নয়।
যোগাযোগ
ঔষধ সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে পাঠানো হয়।
এছাড়াও, আপনি চাইলে সরাসরি চেম্বারে এসে পরামর্শ নিয়ে ঔষধ সংগ্রহ করতে পারেন।
সুস্থ থাকুন, নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা করুন এবং সঠিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনুসরণ করুন। শান্তি লাভ করুন। ডা: হাসান কবির। A1Homeopathy Mission.


